বিকাশ একাউন্ট খোলা যায় সহজে এবং বিনামূল্যে ! বর্তমানে সকল এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি গ্রাহকগণ বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন।

সকল বিকাশ সেন্টার, বিকাশ প্লাসে এবং এজেন্ট পয়েন্টে বিকাশ একাউন্ট খুলুনঃ নিকটবর্তী এজেন্ট পয়েন্টে বিকাশ একাউন্ট খুলতে নিয়ে আসুন
১। আপনার এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি সিম সহ মোবাইল ফোন
২। জাতীয় পরিচয় পত্র / ড্রাইভিং লাইসেন্স / পাসপোর্ট ( যেকোন একটির মূল এবং ফটোকপি)
৩। ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

একাউন্ট ওপেনিং ফরমটি পূরণ করুন এবং আপনার বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ ও স্বাক্ষর দিন। বিকাশ একাউন্ট খোলার পর আপনাকে আপনার বিকাশ মোবাইল মেন্যুটি এক্টিভেট করে নিতে হবে। আপনার মোবাইল মেন্যু এক্টিভেট করতে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুনঃ
১। *২৪৭# ডায়েল করে বিকাশ মোবাইল মেন্যুতে যান।
২। “এক্টিভেট মোবাইল মেন্যু” বেছে নিন।
৩। বিকাশ একাউন্টের জন্য ৫ ডিজিটের পিন নম্বরটি প্রবেশ করান
৪। কনফার্ম করার জন্য আপনার পিন নম্বরটি আবার প্রবেশ করান
* আপনার পিন নম্বরটি সব সময় গোপন রাখুন:
সকল প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবার পর আপনার মোবাইল নম্বরটি একটি বিকাশ একাউন্ট নম্বর হিসেবে গণ্য হবে। আপনার বিকাশ একাউন্ট এর মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে “ক্যাশ ইন” এবং টাকা গ্রহণ সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে, আপনার KYC ফরম এর তথ্য যাচাই হয়ে গেলে, ৩-৫ কার্য দিবস পর আপনি “ক্যাশ আউট”, “বাই এয়ারটাইম“, “পেমেন্ট” এবং বিকাশ এর  অন্যান্য সেবা সমূহ উপভোগ করতে পারবেন। আপনার একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় হওয়ার পর *247# ডায়াল করে দিন রাত ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন বিকাশের সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

বিকাশ একাউন্টে টাকা নিরাপদে রাখার পাশাপাশি, আপনি টাকা জমিয়ে বছরে ৪% পর্যন্ত ইন্টারেস্ট পেতে পারেন।
ইন্টারেস্ট শুধুমাত্র বিকাশ কাস্টমারের জন্য প্রযোজ্য।
ইন্টারেস্ট রেটঃ

ব্যালেন্স/স্ল্যাব (টাকা) বাৎসরিক হার
১,০০০ – ৫,০০০.৯৯ ১.৫%
৫,০০১ –১৫,০০০.৯৯ ২%
১৫,০০১ – ৫০,০০০.৯৯ ৩%
৫০,০০১ এবং এর অধিক ৪%

উদাহরণস্বরুপ, আপনার বিকাশ একাউন্টে যদি একটি মাসজুড়ে কমপক্ষে ১,০০০ টাকা থাকে, ঐ মাসে ২ টি লেনদেন করেন এবং ঐ মাসের গড় ব্যালেন্স যদি ১,০০০ থেকে ৫,০০০.৯৯ টাকার মধ্যে থাকে তাহলে আপনি  ঐ মাসের গড় ব্যালেন্সের উপর ১.৫% বাৎসরিক হারে ইন্টারেস্ট পাবেন।
ইন্টারেস্ট পাবার শর্তসমূহঃ

  • আপনার KYC ফরম বিকাশ কর্তৃক গৃহীত হতে হবে এবং আপনার একাউন্টটি একটিভ থাকতে হবে
  • মাসে কমপক্ষে আপনাকে ২ টি আর্থিক লেনদেন (“ক্যাশইন”, “ক্যাশআউট”, “ATM ক্যাশআউট”, “পেমেন্ট”, “ সেন্ডমানি” অথবা “বাইএয়ারটাইম”) করতে হবে
  • মাসজূড়ে  প্রতি দিনশেষে আপনার একাউন্টে কমপক্ষে ১,০০০ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে
  • মাসশেষে প্রতিদিনের গড় ব্যাল্যান্সের উপর আপনার প্রাপ্ত ইন্টারেস্টের পরিমান হিসাব করা হবে
  • সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্তন সাপেক্ষ্যে বছরে দুই দফায়  আপনার একাউন্টে ইন্টারেস্ট প্রদান করা হবে